June 18, 2026, 6:33 pm

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
দৌলতদিয়ায় এসবি বাস দুর্ঘটনার তদন্ত/ বাসের যান্ত্রিক ত্রুটি, ফিটনেস না থাকা, ঘাট অব্যবস্থাপনা দায়ী হঠাৎ মন্ত্রীর আগমন, উন্মোচিত কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাপের আক্রমণ বাড়ছে, ২ সপ্তাহে কামড় ৮ জনের, মৃত্যু ১ মেসির হ্যাটট্রিকে দাপুটে জয়, বিশ্বকাপ অভিযান শুরু আর্জেন্টিনার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং অংশীদার হিসেবে দেখতে চায় সরকার—তথ্যমন্ত্রী তীব্র ইস্যুতে সংসদে বিরোধী দলের নীরবতা: কৌশল, সীমাবদ্ধতা নাকি দায়িত্বহীনতা? হত্যা মামলায় জামিন পেলেন অধ্যাপক আবুল বারকাত, কারামুক্তিতে বাধা নেই কুষ্টিয়ায় চিকিৎসকের অপেক্ষায় তালাবদ্ধ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সেবা না পেয়ে ফিরে যান গ্রামের মানুষ তদন্তে মেলেনি জামায়াত নেতার জমির দাবির সত্যতা, সামনে এলো চাঁদা দাবির অভিযোগ পুশইন-পুশব্যাক/ সীমান্তে মানবিক সংকট, কূটনৈতিক উদ্যোগই সমাধানের পথ

চার সরকারী ব্যাংক/পদই নেই, তবু ৭ হাজার পদোন্নতি, বসার জায়গা পাচ্ছেন না কর্মকর্তারা

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
পদ না থাকার পরও কিভাবে ৭ হাজার পদে প্রমোশন দেয়া হয়েছে এবার তার ব্যাখ্যা চেয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এ ঘটনা ঘটেছে চরটি সরকারী ব্যাংকে। তথ্য বলছে, ইতোমধ্যে, এসব ব্যাংকগুলোতে ৫ আগস্টের পর থেকে প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা পদোন্নতি পেয়েছেন। এর মধ্যে ৭ হাজার ২১৫ জনই পদোন্নতি পেয়েছেন সুপারনিউমারারি (পদ ছাড়াই পদায়ন) ভিত্তিতে।
এ পদোন্নতি নজীরবিহীন। এ কাজে ব্যাংকগুলোর অর্গানোগ্রাম বা জনবল কাঠামো সমর্থন করে না। ব্যাংকগুলো হলো সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক।
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর ইতিহাসে এর আগে কখনই এভাবে গণপদোন্নতির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ব্যাংকগুলোয় এখন শৃঙ্খলা আরো ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
জানা গেছে, সুপারনিউমারারি ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম), সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম), সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও), প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) ও সিনিয়র অফিসার (এসও) পদে। এর মধ্যে কেবল ১ হাজার ৬৭ জনকে এসপিও থেকে এজিএম বানানো হয়েছে।
গত বুধবার এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়ে সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে জনবল নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্দেশনা অনুসরণ করার নিয়ম রয়েছে। এছাড়া পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুমোদিত সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী পদোন্নতির প্রদানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নিজ নিজ ব্যাংকের সাংগঠনিক কাঠামোর বাইরে সুপারনিউমারারি পদ সৃষ্টি করে পদোন্নতির সুযোগ নেই। এই নিয়ম ব্যতয় ঘটিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিচালনা পর্যদের অনুমোদন ক্রমে সুপারনিউমারারি পদে পদোন্নতি প্রদান করা হয়েছে যা প্রচলিত বিধি বিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ফলে এর কারণ ব্যাখ্যাসহ ঐ পদে পদোন্নতির ফলে বছরভিত্তিক ব্যাংকের আর্থিক সংশ্লেষের পরিমাণ উল্লেখপূর্বক আগামী ২২ জানুয়ারির মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইওকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
এখন পদের অতিরিক্ত পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত কক্ষ ও চেয়ার-টেবিল দিতেই ব্যাংকগুলো এখন হিমশিম খাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গণপদোন্নতির প্রথম ঘটনাটি ঘটে রাষ্ট্রায়ত্ত সবচেয়ে বড় ব্যাংক সোনালীতে। কর্মকর্তাদের চাপের মুখে গত ২৩ ডিসেম্বর ২ হাজার ১৯২ জন কর্মকর্তাকে সুপারনিউমারারির ভিত্তিতে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে কেবল সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার (এসপিও) থেকে সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদেই পদোন্নতি পান ৪৩৩ জন। পরের দিন, ২৪ ডিসেম্বর পদোন্নতির দাবিতে পরিচালকদের ঘেরাও করে রাখেন অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তারা। কর্মকর্তাদের দাবির মুখে রেকর্ড ৩ হাজার ৭৭ জন কর্মকর্তাকে সুপার নিউমারারি বিবেচনায় পদোন্নতি দেয় অগ্রণী ব্যাংক পর্ষদ। এর মধ্যে ২১৬ জন কর্মকর্তাকে এসপিও থেকে এজিএম পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। প্রিন্সিপাল অফিসার (পিও) থেকে এসপিও করা হয় ৫৮৫ জনকে। আর সিনিয়র অফিসার (এসও) থেকে ৮২৯ জন প্রিন্সিপাল অফিসার পদে পদোন্নতি পান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

© All rights reserved © 2024 dainikkushtia.net
Maintenance By DainikKushtia.net